জলাধারের নীল টলটলে জল সাথে পাহাড়ের কোলে মুকুটমণিপুর

"আমি দূর হতে তোমারেই  দেখেছি... আর মুগ্ধ হয়ে চোখে চেয়ে থেকেছি" মন মুগ্ধ করা গানের ছন্দের মতোই অপূর্ব সুন্দর দৃশ্য। পাহাড় ও অরণ্য ঘেরা মুকুটমণিপুর এর নীল টলটলে জল আর হালকা ঢেউ মন শান্ত করার জন্য যথেষ্ট। আর দেরি না করে বরং একবার ঘুরেই আসুন মুকুটমণিপুরের ড্যাম। প্রকৃতির মাঝে রং তুলির টানে আঁকা আল্পনা অন্য মাত্রা জুগিয়েছে এই পর্যটনস্থলকে।

 শীত গ্রীষ্মে বর্ষা সব মরসুমে আপনি যেতে পারেন মুকুটমণিপুর এ। মুকুটমণিপুর শহরটি অম্বিকানগর থেকে 4 কিলোমিটার দূরে। এ শহরটি নির্মাণ করেছিলেন অম্বিকানগর এর মহারাজা তার প্রিয়তমা পত্নী মুকুট মণির উদ্দেশ্যে। এখানে ড্যাম টিতে boating এর ও সুব্যাবস্থা রয়েছে। জনপ্রতি ভাড়া 100 টাকা। বোট এ করে নদীর ওপারে দীপে ও পরেশনাথ এর মন্দির দর্শনে যেতে পারেন। পরেশনাথ মন্দির টি ধাপে ধাপে উঁচু তে উঠে গেছে আর সেই টিলা থেকেও উপভোগ করা যাবে সুমধুর মন হরিত সেই দৃশ্য। 

কুমারী এবং কংসাবতীর মিলিত সুবিশাল জলাধারের ছোট্ট ছোট্ট ঢেউ মন জুড়িয়ে দেয় পর্যটকদের। নৌকা বিহার, টেন্ডোম সাইকেলে চড়ে জলাধারের সৌন্দর্য দেখার সুযোগও রয়েছে। নির্জন পাহাড়ের উপরে রাতের বেলা টেন্ট এ থাকার সুব্যাবস্থা। আর আছে অনেক সুস্বাদু খাবার এর ব্যবস্থা। এখানে সরকারি বেসরকারী হোটেল। আপনি অনলাইন থেকে বুক করে রাখতে পারেন। 

এখানে বেড়ানোর সব উপকরণই বর্তমান, শুধু নেই বেড়াতে গিয়ে নিয়মের বেড়াজাল । আপনার প্রিয় মানুষের হাতে হাত আর কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে হেঁটে যেতে পারেন অনেকটা রাস্তা সাথে রয়েছে নীল টলটলে জলের হাওয়া সোনালী আকাশ আর সুদূর পাহাড়ের হাতছানি।