স্মৃতিচারণ-বিদ্যালয়ের স্মৃতি সত্যিই কখনো ভোলার নয়।।

দুর অতীতকে জীবন্ত করে বর্তমানকে ভুলিয়ে দিতে চাই স্মৃতি।জীবনের  একটা   অধ্যায়ের প্রায় শেষ প্রান্তে এসে পৌঁছেছি । তারপরও নিজেকে প্রশ্ন করি কোথায় পৌঁছেছি আমি! কি আমার পরিচয় ? সে কারনেই কিছুটা স্মৃতি চারণ।

জীবনের  সবচেয়ে বেশী সুন্দর, আনন্দময় ছিলো স্কুল জীবন। কলেজ জীবনের সাথে এই মধুর জীবনের অনেক ব্যবধান রয়েছে। আজ কতো বন্ধু আমাদের,কত আড্ডা আজ,তবুও যেন কিছু  অসম্পূর্ণ! এসবের আজ কিছুই নেই, আছে কিছু কল্পনা স্মৃতিকথা! এসব স্মৃতিময় দিন গুলো আর কখনো ফিরে পাবো না।

হাহাকার করা হৃদয় যেন বলে উঠে, বিদায় বন্ধু! বিদায় শূন্য ক্লাসরুম! আমি আমার অবচেতন মন জানে – জীবন্ত স্মৃতিকথা প্রণয় লিপির প্রতিটি অক্ষর, “স্কুল জীবনের স্মৃতিকথা” এই আমার স্মৃতিতে সারাজীবন থেকে যাবে, অতি উজ্জ্বল হয়ে

কিছু স্মৃতি মনে পড়লে আজ মনটা সাড়া দিয়ে যায়,যেমন..

যেসব স্যার রাগী তাদের নামে অশ্লীল ভাষা তাদের নামে  দেওয়ালে নানা রকম লেখা।....

ক্লাস বন্ধ করে টয়লেটে বসে থাকা।..

পড়া না হলে একটা উক্তি স্যার মাথার যন্ত্রণা।..

স্কুলে কোন বন্ধুর সাথে ঝামেলা হলে একটা ডায়লগ স্কুলের বাইরে বেরো একবার।..

স্যারের পড়ার কথা না শুনে বন্ধুদের সাথে গল্প করা।..

                        জানিনা আর ফিরে পাবো কি সেই মুহূর্ত। আর ফিরে পাবো কি সেই বন্ধু যার হারিয়ে গেছে।..

স্কুলে যেসব স্যারদেরকে অশ্লীল ভাষা বলতাম এখন তাদেরকে বেশি সম্মান দি

তে ইচ্ছে হয়। আবার পেতে ইচ্ছে হয় সেই পুরনো ক্লাসরুম সেই পুরনো বেঞ্চ যাতে লেখা আছে নানা প্রেম কাহিনী।

এই গল্পটা তাদের জন্য যারা স্কুল লাইভ মিস করছে এবং করে।।।