স্বর্গীয় দেশ সুইটজারল্যান্ড । কিছু অজানা তথ্য

স্বর্গীয় দেশ সুইজারল্যান্ড! আইন যেখানে জনগন এর হাতে।

 

 

পৃথিবীর বুকে এক টুকরো স্বর্গ বলা হয় যে দেশটিকে তার নাম হলো সুইজারল্যান্ড।        দেশটি বিশ্বজুড়ে  ভ্রমণপিপাশা মানুষদের কাছে  স্বপ্নের মতো সত্যি অপূর্ব এক দেশ।

শুধু বেড়ানোর জন্যই নয়, সব বিষয়ই দেশ হিসেবে শ্রেষ্ঠত্বের মর্যাদা লাভ করেছে  ইউরোপের ছোট্ট এই দেশটি। অনেকেই মনে করেন সুইজারল্যান্ড মানে দামি সব ব্র্যান্ডের ঘড়ি আর ব্যাংকের দেশ , আর অনেকের মতো আপনিও যদি এটা মনে করেন তাহলে ভুল হবে, কারণ এসবের বাইরেও সুইজারল্যান্ডের অনেক কিছুই আছে যেগুলো অনেকেরই অজানা। সুইজারল্যান্ড মধ্য ইউরোপে অবস্থিত হলেও দেশটি কিন্তু ইউরোপীয় ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত নয়। দেশটির প্রাথস্ঠানিক নাম "সুইস কনফেডারেশন"। 

 

 

 

সুইজারল্যান্ডের প্রশাসনিক রাজধানী "বার্ন" হলেও সবচেয়ে পরিচিত শহরগুলো হল "জুরিক" এবং "জেনেভা"। সুইজারল্যান্ডের প্রশাসনিক বিভাগ গুলোকে বলা হয় "ক্যান্টন"। এই দেশে মোট ২৬ টি ক্যান্টন আছে, যা অতীতে আলাদা আলাদা স্বাধীন রাষ্ট্র ছিল। ২৬ টি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র স্বাধীন রাস্ট্র একত্রিত হয়ে সুইজারল্যান্ড গড়ে উঠলেও দেশটি এতোই ছোটো যে বাংলাদেশ 

সুইজারল্যান্ডের চেয়ে প্রায় সাড়ে তিন গুণ বড়ো। তবে ছোটো হলেও এই দেশের রাজনৈতিক পরিবেশ খুবই সুস্থির। 

 

 

 

যদিও বেশিরভাগ দেশে রাস্ট্রপতি ৪ কিংবা ৫ বছরের জন্য দায়িত্ব পালন করে থাকেন, সেখানে সুইজারল্যান্ডে প্রতি বছর জানুয়ারি মাসের ১ তারিখে দেশটির রাস্ট্রপতি পরিবর্তিত হয়। ৬ বছরের জন্য নির্বাচিত মন্ত্রী পরিষদের সদস্যরাই পার্লাক্রমে

১ বছর করে রাস্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন। 

 

 

 

বিশ্বের সর্বোচ্চ জীবনযাত্রার মানের বিচারে সুইজারল্যান্ড বরাবরই শীর্ষ তিন এর মধ্যে থাকে। দেশটি পৃথিবীর ধনী রাস্ট্র গুলোর মধ্যেও অন্যতম। বিশ্ববানিজ্য এবং শিল্প প্রতিষ্ঠানের জন্য সুইজারল্যান্ড অত্যন্ত সহজ ব্যবস্থা গড়ে তুলেছে। তাছাড়া, সুইজারল্যান্ডের "জেনেভা"-য় রয়েছে "জাতিসংঘ, বিশ্ব সাস্থ সংস্থা"-র মতো গুরুত্বপূর্ণ সংগঠনের সদর দপ্তর-ও এই "জেনেভা"-য় অবস্থিত। সুইজারল্যান্ডের অপরূপ সুন্দর গ্রাম গুলোতে বেশি মানুষ থাকেনা, এই দেশের প্রায় "৮৫" শতাংশ মানুষই শহরে বসবাস করেন। 

 

 

সুইজারল্যান্ডের জনবহুল মানুষের গড় মাসিক বেতন প্রায় "৫-৭ লক্ষ" টাকা, সেইসাথে এখানে বেকারত্বের হার ও খুবই কম। উন্নত বেতন ও অধিক বেতনের আশায় বহু বিদেশী নাগরিক এদেশে পাড়ি জমায়। শিক্ষকতা সুইজারল্যান্ডের সবচেয়ে সন্মানজনক পেশা হিসেবে গণ্য করা হয়।