টাইটানিক ডুবি কি সত্যি এক দুর্ঘটনা, নাকি এক পরিকল্পিত অপরাধ? 

টাইটানিক ডুবি কি সত্যি এক দুর্ঘটনা, নাকি এক পরিকল্পিত অপরাধ? 

 

বিংশ শতকের গোড়ার দিকে  নতুন একটি জাহাজ নিয়ে সারা পৃথিবীতে তখন হইচই।  জাহাজটি এত বড় ও মজবুত ছিলো যে তার নির্মাতারা ভবিষ্যতবাণী করেছিলেন  স্বয়ং ঈশ্বরও এই জাহাজকে ডোবাতে পারবেনা।  জাহাজটির নাম "টাইটানিক"

 

 

1912 সালের 10 এপ্রিল সাউথাম্পটন থেকে  নিউ ইয়র্কের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করে টাইটানিক।  সেই সময় টাইটানিকের মোট যাত্রী ছিল "দুই হাজার দুইশ জন" এবং কয়েকশো জাহাজ কর্মী। রাত "11 টা 45" মিনিটে  উত্তর আটলান্টিক সমুদ্রের ডুবন্ত  এক আইসবার্গের সাথে ধাক্কা লেগে জলের তলায় ডুবে যায় "টাইটানিক"।  দুর্ঘটনায় মৃত্যু ঘটে "1513" জন যাত্রীর, ভাগ্যবান "687" জন যাত্রীর জীবন বাঁচলেও পরবর্তী জীবনে তাদের বয়ে বেড়াতে হয়েছে এই দুঃস্বপ্ন।  টাইটানিক জাহাজটির ডিজাইনার "থমাস অ্যান্ড্রু" দাবি করেছিলেন  "টাইটানিক" কোনদিনই ডুববে না। তিনি অবশ্য এ বিষয়ে পুরোপুরি নিশ্চিত ছিলেন না।

"টাইটান" ছিল গ্রীক পুরাণের সৃষ্টির শক্তিশালী দেবতা,  এই দেবতার কাজ ছিল শুধু সৃষ্টি করা, আর তারই নাম অনুসারেই জাহাজের নাম রাখা হয় "টাইটানিক"। "টাইটানিক" জাহাজটির নির্মাণ কাজ শুরু হয় "1907" সালে। পাঁচ বছর একটানা কাজ করার পর এই জাহাজটি নির্মাণ কাজ শেষ হয়। "60" হাজার টন ওজন এবং "275" মিটার দৈর্ঘ্য বিশিষ্ট এই জাহাজটি  নির্মাণ করতে সেই সময় খরচ হয়েছিল "75 লাখ ডলার"।

 

 

টাইটানিক জাহাজটির ডিজাইন এমনভাবেই করা হয়েছিল যা সকল প্রকার ঝড় ও  জলোচ্ছ্বাস এর মধ্যেও  সমুদ্রে বুক চিতিয়ে চলতে পারে।  কিন্তু যেদিন টাইটানিক ডুবে যায় সেদিন তার বয়স ছিল মাত্র চারদিন।  

 

আপাতদৃষ্টিতে আইসবার্গের সাথে ধাক্কায় টাইটানিক ডোবার কারণ বলা হলেও এর কোনও সঠিক যুক্তি কোনো গবেষকই দিতে পারেননি।  একেকজন একেকরকম উদঘাটন করেছে আর এর ফলেই জাহাজ ডুবে  যাওয়ার ঘটনা আরো রহস্যময় হয়ে উঠেছে।